মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ০৬:৪৯ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
NEWSS24 অনলাইন সংবাদ পত্রে আপনাকে স্বাগতম । বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন  । ধন্যবাদ

জাপানে দ্রুত প্রচার হচ্ছে ইসলাম ধর্ম

জাপান প্রতিনিধি
আপডেটের সময় : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০

Spread the love

 

জাপানে ইসলামের ইতিহাস খুব বেশী পুরনো নয়। ইসলামি ইতিহাসের প্রথম ও মধ্যযুগে এখানে কোন মুসলমানের আগমন কিংবা কোন দাওয়াতি তৎপরতার কোন উল্লেখ পাওয়া যায় না।

যতটুকু জানা যায় সম্ভবত উসমানি খেলাফতের সময় সুলতান আব্দুল হামিদ [Abdul Hamid II (reigned 1876-1909) ] সর্বপ্রথম ১৮৯০ খৃস্টাব্দে নৌপথে তাঁর জাহাজ ‘আর্তগর্ল'(Al Togrul )-এ এক সৌজন্যমূলক মিশন জাপানে পাঠিয়েছিলেন।

বাহ্যত তার উদ্দেশ্য ছিল, এ অঞ্চলে ইসলামের দাওয়াতের সম্ভাবনা সম্পর্কে সমীক্ষা চালানো। প্রতিনিধি দলটি জাপানে খুব ভাল প্রভাব সৃষ্টি করে। মূলত তারা এ অঞ্চলে ইসলাম কবুলের বীজ বপন করে যান। কিন্তু এটি একটি ট্রাজেডী যে, এ প্রতিনিধি দল যখন তুরস্কে ফিরে যাচ্ছিলেন, তখন জাপানেরই সমুদ্রে প্রচণ্ড ঝড়ের আঘাতে জাহাজটি ডুবে যায়।

ছয়শ’ নয় জন যাত্রীর মধ্যে মাত্র ৬৯ জন জীবিত ছিলেন। অবশিষ্ট সবাই শহীদ হন এদের মধ্যে সুলতানের ভাইও ছিলো। দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল রাতের আঁধারে। নিকটবর্তী দ্বীপের জাপানী অধিবাসীরা দুর্ঘটনা কবলিত লোকদের অত্যন্ত আন্তরিকভাবে সাহায্য করেন।

১৯৬৬ খিস্টাব্দে জাপানে ইন্টারন্যাশানাল ইসলামিক সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হয়। ইসলামিক সেন্টার ‘আস সালাম’ নামে একটি ত্রৈমাসিক পত্রিকাও বের করে। এছাড়া সেন্টারের পক্ষ থেকে জাপানী শিশুদের প্রাথমিক ধর্মীয় শিক্ষার ব্যবস্থা ও হজ গমনে ইচ্ছুকদের হজে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। এই সেন্টারকে কেন্দ্র করেই জাপানে দাওয়াতে তাবলিগের কাজ চলছে বেশ জোরালোভাবে।

এখন অবশ্য তাবলিগ জামাতের লোকেরা টোকিওর শহরতলী এলাকা সাইতামা’র (saitama) একটি ভবন বিনে সেখানে একটি মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেছেন। বর্তমানে সেটাই তাবলিগের মারকাজ জিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

জাপানের বর্তমান মুসলমান প্রজন্ম জাপানে ইসলামের প্রচার ও প্রসারের বেশ আন্তরিক। নানা প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে তারা কাজ করে যাচ্ছে আপন গতিতে। তাদের প্রত্যাশা অচিরেই জাপানে অন্যান্য দেশের মতো ইসলাম জনপ্রিয় ও প্রভাব বিস্তারকারী ধর্মে পরিণত হবে। বাড়বে মসজিদের সংখ্যা। যে মসজিদের মিনার থেকে ভেসে আসবে আজানের সুর।


আপনার মতামত লিখুন :    
এ জাতীয় আরো সংবাদ